কোম্পানি ও কর্পোরেট বিষয়াদি
গঠন, সুশাসন, শেয়ারহোল্ডার বিষয়, পুনর্গঠন ও নিরবচ্ছিন্ন কর্পোরেট পরামর্শ।
এটি কী
একটি কোম্পানির প্রতিটি পর্যায়েই আইনি মনোযোগ প্রয়োজন — গঠনের সময়, পরিচালনার সময়, সম্প্রসারণের সময় এবং সংকটের সময়। সংঘস্মারক থেকে পরিচালনা পর্ষদের সংকট পর্যন্ত কর্পোরেট বিষয়ের পূর্ণ পরিসরে আমরা একটি স্থায়ী আইনি ও ব্যবসায়িক পরামর্শক দল হিসেবে কাজ করি।
এতে যা যা অন্তর্ভুক্ত
কোম্পানি গঠন, কাঠামো ও নিবন্ধন
উপযুক্ত কর্পোরেট কাঠামো, নিবন্ধন, সংঘস্মারক ও সংঘবিধি, শেয়ার-মালিকানার বিন্যাস, মূলধন কাঠামো ও আরজেএসসি কমপ্লায়েন্স।
কর্পোরেট সুশাসন ও ব্যবস্থাপনা
যথাযথ পর্ষদ কার্যপ্রণালি, শেয়ারহোল্ডারদের অধিকার, পরিচালকদের দায়িত্ব, এজিএম ও ইজিএম বিষয়াদি, কর্পোরেট রেজল্যুশন ও বিধিবদ্ধ কমপ্লায়েন্স।
শেয়ারহোল্ডার ও পরিচালক বিরোধ
শেয়ারহোল্ডার দ্বন্দ্ব, ব্যবস্থাপনায় অচলাবস্থা, শেয়ার হস্তান্তর, নিপীড়ন, অব্যবস্থাপনা ও কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে কৌশলগত পরামর্শ।
বাণিজ্যিক চুক্তি ও সমঝোতা
সরবরাহ, পরিবেশনা, এজেন্সি, ফ্র্যাঞ্চাইজ, সেবা, অংশীদারিত্ব, নির্মাণ ও বিনিয়োগ চুক্তি প্রস্তুত, পর্যালোচনা ও দর-কষাকষি।
ব্যাংকিং, অর্থায়ন ও ঋণ বিষয়াদি
ঋণ, বন্ধক, গ্যারান্টি, ঋণপত্র, ব্যাংকিং সুবিধা, ঋণ পুনর্গঠন, আদায় কার্যক্রম ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বিরোধ।
বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ উদ্যোগ
বিনিয়োগ কাঠামো, যৌথ উদ্যোগ, শেয়ারহোল্ডার চুক্তি, নিয়ন্ত্রক অনুমোদন, বৈদেশিক মুদ্রা বিষয় এবং বিনিয়োগ ও মুনাফা প্রত্যাবাসন।
আমরা যেভাবে কাজ করি
- 1সংঘবিধি, নথিপত্র ও বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা
- 2আইনি, নিয়ন্ত্রক ও বাণিজ্যিক ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ
- 3সংশোধনমূলক বা লেনদেনভিত্তিক পরিকল্পনা নির্ধারণ
- 4বাস্তবায়ন, নথিভুক্তকরণ ও কমপ্লায়েন্স পর্যবেক্ষণ
সাধারণত যা প্রয়োজন
- নিবন্ধন সনদ, সংঘস্মারক ও সংঘবিধি
- শেয়ার রেজিস্টার, পর্ষদ কার্যবিবরণী ও রেজল্যুশন
- সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও নিরীক্ষিত হিসাব
- সংশ্লিষ্ট চুক্তি বা নোটিশসমূহ
আমাদের মূল ভূমিকা
কোম্পানিকে আইনগতভাবে সুস্থ রাখা — সুদৃঢ় কাঠামো, সুশৃঙ্খল নথিপত্র, আগেভাগে ঝুঁকি শনাক্তকরণ এবং পর্ষদের প্রয়োজনে সুবিবেচিত উত্তর।